বর্ষায় সুপ্তধারা ঝর্ণা, সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক
কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে বাসে/ট্রেনে চট্টগ্রাম। চট্রগ্রাম থেকে ট্যাক্সি/ সিএনজি/ইজি বাইক/বাস করে সীতাকুণ্ড বাজার আসতে পারবেন। এটি চট্রগ্রাম শহর থেকে ৩৭ কিলোমিটার ও সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
কিংবা বাসে গেলে সীতাকুণ্ড বাজারও নেমে যেতে পারেন। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে লোকাল সি.এন.জি/ইজি বাইক/ রিকশায় সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের গেটে চলে আসবেন। পার্কের ভিতর ম্যাপ/ নির্দেশিকা দেয়া আছে। সেটা অনুসরণ করে গেলে ঝর্ণা পর্যন্ত পৌঁছে যাবেন।
ঢাকা থেকে বাসে/ট্রেনে চট্টগ্রাম। চট্রগ্রাম থেকে ট্যাক্সি/ সিএনজি/ইজি বাইক/বাস করে সীতাকুণ্ড বাজার আসতে পারবেন। এটি চট্রগ্রাম শহর থেকে ৩৭ কিলোমিটার ও সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
কিংবা বাসে গেলে সীতাকুণ্ড বাজারও নেমে যেতে পারেন। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে লোকাল সি.এন.জি/ইজি বাইক/ রিকশায় সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের গেটে চলে আসবেন। পার্কের ভিতর ম্যাপ/ নির্দেশিকা দেয়া আছে। সেটা অনুসরণ করে গেলে ঝর্ণা পর্যন্ত পৌঁছে যাবেন।
বিঃদ্রঃ
* ঝর্নায় যাওয়ার পথে দীর্ঘ সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামা লাগে তাই ভারি ব্যাগ নিয়ে নামবেন না, পরে উঠতে কষ্ট হবে। প্রয়োজনে উপরে ব্যাগগুলো রেখে একজনকে পাহারায় রেখে আসুন।
* সিঁড়ি গুলো বর্শায় পিচ্ছিল হয়ে যায় তাই সাবধানে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে নামবেন। কারও সাথে কম্পিটিশন করতে যাবেন না। জীবনের মূল্য বেশি। ভাল গ্রিপ ওলা বেল্ট স্যান্ডেল পড়ে নিবেন।
* ঝর্নায় যাওয়ার পথে ঘন বন মত পড়বে যা জোঁকের আড্ডাখানা। তাই সাথে লবণ/গুল নিয়ে নিবেন।
* ঝর্নায় যাওয়ার পথে দীর্ঘ সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামা লাগে তাই ভারি ব্যাগ নিয়ে নামবেন না, পরে উঠতে কষ্ট হবে। প্রয়োজনে উপরে ব্যাগগুলো রেখে একজনকে পাহারায় রেখে আসুন।
* সিঁড়ি গুলো বর্শায় পিচ্ছিল হয়ে যায় তাই সাবধানে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে নামবেন। কারও সাথে কম্পিটিশন করতে যাবেন না। জীবনের মূল্য বেশি। ভাল গ্রিপ ওলা বেল্ট স্যান্ডেল পড়ে নিবেন।
* ঝর্নায় যাওয়ার পথে ঘন বন মত পড়বে যা জোঁকের আড্ডাখানা। তাই সাথে লবণ/গুল নিয়ে নিবেন।

No comments:
Post a Comment